জিলা স্কুল ক্যাম্পাস…
জিলা স্কুল, স্মৃতি –বিস্মৃতির মাঝে মিশে থাকা একটি নাম। সেই ১০ কি ১১ বছর বয়সে এই স্কুলের আলোর যাত্রায় পথযাত্রী হয় অনেকেই। হয়েছিলাম আমরাও। অনেকটা সময় কেটে গিয়েছে এর মাঝে। অনেক কিছুই পেয়েছি, শিখেছি এখান থেকে। স্কুলে থাকার সময় স্কুলের ট্যাগ নিয়ে অনেক সুবিধা পেয়েছি। স্কুলটা অনেক কিছুই দিয়েছে। নিজেকে বাঁচতে শিখিয়েছে। মানুষ হতে শিখিয়েছে। প্রয়োজনেও অনেককেই পাশে পেয়েছি। বিদায় নিবো কিছুদিন পর। সম্পর্কটা শেষ হবে হয়তো। আরো কিছুদিন ক্যাম্পাসে থাকলে হয়তো অনেক কিছুই করা হতো। আড্ডা, খেলাধুলা, প্রামাণ্য চিত্র আরও কত কি! কিন্তু করা হবে না। এটাই নিয়তি! আমরা যখন ক্যাম্পাসে থাকবো না; ক্যাম্পাসের শূন্যতা অনুভব করবো ঠিক সেই সময়টায় ক্যাম্পাস মেতে থাকবে আমাদের এবং আমাদেরই রেখে যাওয়া সত্ত্বাকে ঘিরে। এই মেতে থাকা কি কেউ রুধতে পারে? পারে না। পারবেও না।
এই যে বলছি জিলা স্কুলের সাথে সম্পর্ক শেষ হবে, তা কিন্তু না। সম্পর্ক আসলে শেষ হয়না, স্রেফ হাত বদল হয়। পুরোনো সত্ত্বার জায়গায় নতুন সত্ত্বারা আসবে! তারাও সম্পর্কে জড়াবে, বিদায় নিবে। এরপর তাদের জায়গায় অন্য কেউ আসবে, মায়ায় জড়াবে এবং চলে যাবে। এটাই নিয়ম। খুব সম্ভবত নিউটন করে দিয়ে গেছেন এই নিয়মটা, “কোনো কিছুই আসলে একা থাকে না; শেষ হয় না”। কিঞ্চিৎ পরিমাণ কিছু হলেও থাকে। যেটুকু থাকে তাকে শূন্যতা বলাই বোধহয় ভাল। আর ভীষণ প্রিয় কোনো কিছুর সাথে কাটানো সময় কিংবা প্রয়োজন ফুরিয়ে যাওয়ার পর বিদায় বেলার শব্দটা ‘বিদায়’ না হয়ে বোধহয় ‘রিপ্লেসমেন্ট’ হবে…সম্পর্কও ‘শক্তি’র মত অবিনশ্বর, শুধু স্থান-কাল-পাত্র আর সময়ের ব্যবধানে ‘চরিত্র’ গুলো বদলে যায়। যেমনটা শক্তির বেলায় আলো থেকে তাপ, তাপ থেকে গতিতে রূপান্তর ঘটে!
এতোগুলো বছরের ধুলো, এতোগুলো বছরের আশ্রয়, এতোগুলো বছরের স্মৃতি। সব গিয়ে মনের মধ্যে একটা জায়গায় অতিযত্নে জমা থাকবে। হয়তো অনেক দিন পর, অনেক গুলো বরষা, হেমন্ত। অনেক গুলো জোৎস্না স্নাত রাত্রি পেরিয়ে, অনেকবার সেই একি কক্ষপথে ঘুরে। আবার এই ক্যাম্পাসে ফিরে আসবো। অন্য কোনো পরিচয়ে। চারি দেয়ালের মাঝের অনেকাংশই তখন পাল্টে যাবে। সায়েন্স ক্লাব, ম্যাথ ক্লাব, ডিবেটিং ক্লাব হবে। আমরা যেটা করতে পারি নি সেটা করবে আর কি আমাদেরই রেখে যাওয়া কোনো সত্ত্বা!
এই যে বলছি জিলা স্কুলের সাথে সম্পর্ক শেষ হবে, তা কিন্তু না। সম্পর্ক আসলে শেষ হয়না, স্রেফ হাত বদল হয়। পুরোনো সত্ত্বার জায়গায় নতুন সত্ত্বারা আসবে! তারাও সম্পর্কে জড়াবে, বিদায় নিবে। এরপর তাদের জায়গায় অন্য কেউ আসবে, মায়ায় জড়াবে এবং চলে যাবে। এটাই নিয়ম। খুব সম্ভবত নিউটন করে দিয়ে গেছেন এই নিয়মটা, “কোনো কিছুই আসলে একা থাকে না; শেষ হয় না”। কিঞ্চিৎ পরিমাণ কিছু হলেও থাকে। যেটুকু থাকে তাকে শূন্যতা বলাই বোধহয় ভাল। আর ভীষণ প্রিয় কোনো কিছুর সাথে কাটানো সময় কিংবা প্রয়োজন ফুরিয়ে যাওয়ার পর বিদায় বেলার শব্দটা ‘বিদায়’ না হয়ে বোধহয় ‘রিপ্লেসমেন্ট’ হবে…সম্পর্কও ‘শক্তি’র মত অবিনশ্বর, শুধু স্থান-কাল-পাত্র আর সময়ের ব্যবধানে ‘চরিত্র’ গুলো বদলে যায়। যেমনটা শক্তির বেলায় আলো থেকে তাপ, তাপ থেকে গতিতে রূপান্তর ঘটে!
এতোগুলো বছরের ধুলো, এতোগুলো বছরের আশ্রয়, এতোগুলো বছরের স্মৃতি। সব গিয়ে মনের মধ্যে একটা জায়গায় অতিযত্নে জমা থাকবে। হয়তো অনেক দিন পর, অনেক গুলো বরষা, হেমন্ত। অনেক গুলো জোৎস্না স্নাত রাত্রি পেরিয়ে, অনেকবার সেই একি কক্ষপথে ঘুরে। আবার এই ক্যাম্পাসে ফিরে আসবো। অন্য কোনো পরিচয়ে। চারি দেয়ালের মাঝের অনেকাংশই তখন পাল্টে যাবে। সায়েন্স ক্লাব, ম্যাথ ক্লাব, ডিবেটিং ক্লাব হবে। আমরা যেটা করতে পারি নি সেটা করবে আর কি আমাদেরই রেখে যাওয়া কোনো সত্ত্বা!
Enjoy Reading This Article?
Here are some more articles you might like to read next: